বাড়ি ক্রিকেট জয়ে রাঙানোর প্রত্যাশা

জয়ে রাঙানোর প্রত্যাশা

২০১৮ সালের শেষ লগ্নে প্রস্তুতি চলছে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর। নতুন লক্ষ্য ও সম্ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার শপথ অনেকের মনেই। বাংলাদেশের ক্রিকেটও স্থির করছে নতুন বছরে আরও এগিয়ে যাওয়ার। তারই প্রস্তুতিতে এ বছরের শেষটা জয় দিয়ে রাঙানোর প্রত্যাশা।

আজ (শনিবার) মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। বছরের শেষ ম্যাচটি আবার সিরিজ নির্ধারণীরও। ১-১ সমতায় থাকায় যে জিতবে তারাই বছর শেষ করবে ট্রফি জেতার উল্লাসে। ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে আগেই টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ জিতে রাখা বাংলাদেশ প্রথমবার তিন ফরম্যাটের শিরোপা জিততে মুখিয়ে আছে।

চার মাস আগে ফ্লোরিডায় পিছিয়ে থেকেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার একই পরিস্থির সামনে সাকিবরা। সিলেটে প্রথম ম্যাচ হেরে পিছিয়ে পড়ার পর ঢাকায় সমতায় ফিরিয়েছে। শনিবার বিকেল ৫টায় সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচটি ফ্লোরিডার সেন্ট্রাল রিজিওনাল পার্ক স্টেডিয়ামের কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের।

একটা সময় ছিল, যখন বাংলাদেশ একবার পিছিয়ে পড়লে সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারতো না। সময় বদলেছে, এখন পিছিয়ে থেকেও লড়তে জানে বাংলাদেশ। ২০১৫ সালে ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ পিছিয়েও জিতেছিল টাইগাররা। এরই ধারাবাহিকতায় ফ্লোরিডায় ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে কুড়ি ওভারের সিরিজে পিছিয়ে পড়েও ২-১ ব্যবধানে জিতে দেশে ফিরেছিল লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। এবারও ওই সিরিজের পুনরাবৃত্তি করার প্রত্যাশা সাকিবদের।

যদিও কাজটা সহজ হবে না, ক্যারিবিয়ান পেসার কেমো পলের কথাতে সেরকমই ইঙ্গিত। টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে দেশে ফেরার আশা তার, ‘এ সফরটা আমাদের জন্য বেশ কঠিন হলো। আমরা ওয়ানডে সিরিজ হেরেছি। তবে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এখনও আমাদের সুযোগ আছে। এখন মূল লক্ষ্য হলো মাঠে গিয়ে নিজেদের কাজ করা এবং সিরিজ জিতে নেয়া। আমরা যদি জিততে চাই, তাহলে ১১০ ভাগ দিয়ে খেলতে হবে। আশা করি অন্তত একটি সিরিজ জিতে দেশে ফিরতে পারব।’

বাংলাদেশও জয় ছাড়া কিছু ভাবছে না। নতুন বছর শুরুর আগে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে ২০১৮ সালের শেষটা রাঙানোর প্রত্যাশা সাকিবদের।